
বৃষ্টি ও লবণাক্ত বাতাসেও আউটডোর হিটারগুলোকে কার্যকর রাখা সম্ভব।
সত্যি বলতে, বাইরের পরিবেশ ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতিগুলোর জন্য একটি দুঃস্বপ্ন। সেখানে আর্দ্রতা, লবণাক্ত বাতাস এবং তাপমাত্রার পরিবর্তন থাকে; এগুলো অধিকাংশ যন্ত্রপাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে দেয়। যদি জল হিটারের ভিতরে ঢুকে যায়, তাহলে সব শেষ। শর্ট সার্কিট হয়ে ফিলামেন্টগুলো নষ্ট হয়ে যায়; ফলে আপনার ছাদে শুধুমাত্র একটি অকেজো ধাতব টুকরো ঝুলে থাকে।
এই কারণেই আমরা আউটডোর হিটারগুলোকে IP66 মানদণ্ড অনুযায়ী তৈরি করি।
IP66 আসলে কী অর্থ বহন করে?
সাধারণ ভাষায় বললে, এর মানে হলো এই যন্ত্রটি ধূলিমুক্ত এবং যেকোনো দিক থেকে আসা উচ্চ-চাপের জলধারাকেও সহ্য করতে পারে।
আমরা শুধুমাত্র এর উপর ঢাকনা লাগাই না; বরং কেবলগুলো যেখানে যন্ত্রে ঢোকে, সেখানে উচ্চ-তাপমাত্রার সিলিকন গ্যাসকেট ব্যবহার করি। এতে যন্ত্রের অভ্যন্তরীণ অংশগুলো শুকনো থাকে এবং ওয়্যারিংগুলো ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না।
আর রয়েছে ঘনীভূত বাষ্প। এটাই হলো নীরব হত্যাকারী। যখন সুইচটি বন্ধ করা হয়, তখন তাপমাত্রা দ্রুত কমে যায়; ফলে বাতাসের মাধ্যমে আর্দ্রতা যন্ত্রের উপর পড়ে। এটা রোধ করার জন্য আমরা কোয়ার্টজ টিউবগুলোর উপর বিশেষ অ্যান্টি-ফগ কোটিং লাগাই।
কেন? কারণ যদি কাঁচে কুয়াশা জমে যায়, তাহলে হিটারটি ঠান্ডা হয়ে যায়। আরও খারাপ ব্যাপার হলো, এই অসম তাপমাত্রার কারণে কাঁচটি ভেঙে যেতে পারে। কেউই এটা চায় না।
ঝুঁকি:
জল ঢুকতে না দেওয়ার জন্য যন্ত্রটির কেসটি খুবই শক্তভাবে বন্ধ থাকতে হয়। এর ফলে যন্ত্রের অভ্যন্তরীণ অংশগুলোতে প্রাকৃতিক বায়ুপ্রবাহ থাকে না। সাবধান থাকুন—আপনার মাউন্টিং ব্র্যাকেটটি যেন হিট সিঙ্কগুলোকে বাধা না দেয়। যদি বায়ুপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়, তাহলে অভ্যন্তরীণ কন্ট্রোলারগুলো ওভারহিট হওয়া থেকে রক্ষা পেতে কাজ করা বন্ধ করে দেবে; ফলে আপনি যে উষ্ণতা পাওয়ার জন্য অর্থ খরচ করছেন, তা পাবেন না।
বাস্তব ফলাফল:
যদি আপনি একটি সাধারণ ইনডোর হিটারকে বাইরে রাখেন, তাহলে সেটি অল্প সময়ের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যাবে। কারণ এটা বাইরের পরিবেশের জন্য উপযুক্ত নয়।
বৃষ্টি ও ধূলো থেকে যন্ত্রটিকে রক্ষা করার ফলে আপনি আর প্রতি মাসে যন্ত্রটিকে পরিষ্কার করার ঝামেলা পাবেন না। এটি আবহাওয়ার প্রভাব সহ্য করে কাজ করতে পারে।
ওয়্যারিং লাগিয়ে দিন, মাউন্ট করে দিন… আর ভুলে যান।